Oct ২৩

বেসিক ইলেক্ট্রিসিটির প্রশ্ন ও উত্তর।

সাইকেল কি?

অলটারনেটিং কারেন্ট কোন একদিকে প্রবাহিত হয়ে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে এবং বিপরীতক্রমে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে ফিরে আসে তাকে সাইকেল বলে।

ফ্রিকোয়েন্সী কি?

কোন পরিবর্তনশীল রাশির প্রতি সেকেন্ডে যতগুলি সাইকেল সস্পন্ন হয় তাকে ফ্রিকোয়েন্সী বলে।
একে f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। টাইম পিরিয়ড T হলে,
F = 1/T

url

পিরিয়ড কি?

কোন পরিবর্তনশীল রাশির এক সাইকেল সম্পন্ন হতে যে সময়ের প্রয়োজন তাকে পিরিয়ড বলে।
একে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ফ্রিকোয়েন্সী f হলে,
T = 1/f

ফেজ কি?

পরিবর্তনশীল রাশির কোন নির্দিষ্ট সময়ে এর কৌণিক অবস্থানকে ফেজ বলে। Read the rest of this entry »

Share

Oct ২৩

ইলেকট্রিক্যাল ছাত্রদের জন্য কিছু সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর পাঠ-২

AC ও DC এর মধ্যে মূল পার্থক্য কি ?

Ac হল দ্বিমুখী প্রবাহ আর Dc হল এক মুখি প্রবাহ

AC হচ্ছে বিদ্যুতের দ্বিমুখী প্রবাহ যা আমরা বাড়ী বা ইন্ড্রাস্ট্রিতে পাই এবং সরবরাহ করা হয় পাওয়ার ইউটিলিটি গ্রিড থেকে। DC হচ্ছে বিদ্যুতের একমুখী প্রবাহ যা আমরা পাই ব্যাটারি থেকে।

AC= Alternating Current

DC= Direct Current

AC  হল পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।

DC হল অপরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।

AC কারেন্ট একটি দিকবর্তী প্রবাহ । যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ৬০ বার দিক পরিবর্তন করে থাকে । অপর দিকে DC হচ্ছ অপ্রত্যাবর্তী প্রবাহ । যা সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে না ।

ac-vs-dc

ফ্যান আস্তে অথবা জোরে যেভাবে ছাড়া হোক বিদ্যুৎ কি একই খরচ হয়?

আমরা সাধারণত দুই প্রকারের ফ্যান রেগুলেটর ব্যবহার করে থাকি। (ক) ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর (খ) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর। ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর তৈরি হয় ট্যাপিং যুক্ত ইন্ডাকটরের দ্বারা। বৈদ্যুতিক ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের রোটেশন কমে কিন্তু রেগুলেটর উত্তপ্ত হয়। এই অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়। Read the rest of this entry »

Share

Sep ২১

ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন অফ ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি

চলুন জানি ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন সম্পর্কে

উৎপাদন কেন্দ্র হতে আবাসিক ভবন পর্যন্ত বিদ্যুৎ পৌছানোর নিমিত্তে পরিবাহী তারের এক বিশাল নেটওয়ার্ক ব্যবহূত হয়।ট্রান্সমিশন ও ডিস্টিবিউশন মূলত: এই বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্কের প্রধান দুটি অংশ। উৎপাদন কেন্দ্র হতে লোড সেন্টারস্থ উপকেন্দ্র সমূহে বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য ট্রান্সমিশন লাইন আর গ্রাহক প্রান্তে বিদ্যুৎ বিতরনের জন্য ডিস্টিবিউশন লাইন।

ওভারহেড/আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যবস্থায় এসি বা ডিসি যে কোন পদ্ধতিতে বৈদ্যুতিক পাওয়ার ট্রান্সমিশন ও ডিস্টিবিউশন হতে পারে।বর্তমানে এসি জেনারেশন ও ট্রান্সমিশনের জন্য ৩-Q,৩ তার এবং ডিস্ট্রিবিউশনের জন্য ৩-Q,৪ তার পদ্ধতি একটি সার্বজনীন সিস্টেম বা প্রথায় পরিণত হয়েছ।

ENERGY-101

ওভারহেড সিস্টেমের তুলনায় আন্ডারগ্রাউন্ড সিস্টেম অধিক ব্যয় বহূল।কাজেই নদী-মাতৃক বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র ওভারহেড ট্রান্সমিশন ও ডিস্টিবিউশন সিস্টেম প্রচলিত। যা হোক, ইৎপাদন কেন্দ্র থেকে গ্রাহক প্রান্ত পর্যন্ত সমগ্র বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্ক অথাৎ ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম পূনরায় প্রাইমারী ও সেকেন্ডারি এই উভয় অংশে বিভক্ত। Read the rest of this entry »

Share
প্রযুক্তিময়-জীবন পাতা ৫ of ১১« শুরু First......১০...Last শেষ »
Visit Us On FacebookVisit Us On TwitterVisit Us On YoutubeVisit Us On Google Plus