Jan ০২

Waukesha গ্যাস জেনারেটরের অপারেশন এবং মেইন্টেন্যান্স ইন্সট্রাকশান দেওয়া হল।

জেনারেটার চালু করার পুর্বে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি পরীক্ষা করতে হয়ঃ

১) মেইন সার্কিট ব্রেকার বা অন্য কোন পাওয়ার ট্রান্সমিশান ডিভাইসের কানেকশান থাকলে তা বন্ধ কিনা দেখুন।

২) ইঞ্জিনের উপরে অথবা ভিতরে কোন যন্ত্রপাতি বা অন্য কিছু থাকলে অপসারন করুন । প্রোটেকটিভ গার্ডস এবং শিল্ড লাগানো আছে কিনা দেখুন । (চিত্র নং- ১ )

৩) বেল্টগুলি পরীক্ষা করুন এবং প্রয়োজনে যথাযথ টাইট করুন এবং গ্রিজ পয়েন্টে গ্রিজ দিন। (যেমন ওয়াটার পাম্প, কুলিং টাওয়ার ফ্যান ইত্যাদি)

৪) সার্জ ট্যাংকের সাইট গ্লাসে পানির লেভেল (সর্বোচ্চ লেভেল থেকে প্রায় ১/২” নিচে) আছে কিনা দেখুন, প্রয়োজনে ডিষ্টিল ওয়াটার দিন এবং বাতাস বের করবার ব্যাবস্থা করুন এবং পরে ভেন্ট ও ড্রেন কক্ গুলো বন্ধ করুন ।

৫) পানি, মবিল ও গ্যাস লাইনে কোন লিক আছে কিনা দেখুন।

৬) এয়ার ক্লিনার চেক করুন । এয়ার রেস্ট্রিকশান ইন্ডিকেটার লাল হলে বা প্রয়োজনে প্রিক্লিনার ও এয়ারক্লিনার পরিষ্কার করুন । (চিত্র নং- ২)

৭) ডিপস্টিক দ্বারা ইঞ্জিনের মবিলের পরিমান দেখুন। ওয়েল লেভেল ফুল মার্কের চেয়ে ১/৪” নিচে রাখুন। (চিত্র নং- ৩)

৮) ব্যাটারীতে পানির লেভেল ঠিক আছে কিনা দেখুন। প্রয়োজনে পরিমিত পরিমান ডিষ্টিল ওয়াটার দিন।
ব্যাটারী ভোল্টেজ (২৪-২৬) ভোল্ট কিনা দেখুন। ২৪ ভোল্টের কম দেখালে উক্ত ব্যাটারী দ্বারা ইঞ্জিন চালু করার চেষ্টা করবেন না।

Read the rest of this entry »

Share

Aug ২৪

একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কিভাবে ক্যাবলের সাইজ নির্ধারণ করবেন.

ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কিভাবে ক্যাবলের সাইজ  নির্ধারণ করবেনঃ

ক্যাবল সাইজ নির্ধারণ করা নিয়ে নানা মত আছে। কারো কারো মতে কোনও ক্যাবল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের ক্যাটালগ দেখলেই চলে আবার কারো কারো সিলেকশন পদ্ধতি এতটাই জটিল যে সেটাও অনেক ক্ষেত্রে বাহুল্য হয়ে যায়।

আজ আমি আপনাদের ক্যাবল সিলেকশনের যেই পদ্ধতিটা দেখাব সেটা কারো হুবহু অনুকরণ নয় বরং বেশ কয়েকটা উৎস থেকে পাওয়া তথ্য থেকে আমার বাছাইকৃত পদ্ধতি। আর হ্যাঁ, এটা শুধুমাত্র লো ভোল্টেজ লাইনের ক্যাবল সিলেকশনের পদ্ধতি।

ক্যাবল সিলেকশন এ আমাদের কয়েকটা ধাপ অনুসরণ করতে হয়। তো, শুরু করা যাক প্রথম ধাপ।

ক্যাবল

লোড কারেন্ট নির্ণয়ঃ এই ধাপটা সহজ। এই ধাপে আমাদের লোড কারেন্ট বের করতে হবে আর তার জন্য আমাদের সবগুলো লোডের সম্মিলিত পাওয়ার বের করতে হবে। ধরি, এটা একটা বিল্ডিং এর ওয়ারিং। সকল বাসার সকল যন্ত্রপাতির পাওয়ার যোগ করে আমরা পেলাম ৫৩০০ ওয়াট । এখন এটা তো আমরা সবাই অনুমান করতে পারি যে, বাসাবাড়িতে প্রতিনিয়ত লোডের পরিমান বাড়ছে কারন আমাদের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যাবহারের প্রবণতা বাড়ছে এবং কোনও কিছু আমরা একবার ব্যাবহার করে অভ্যস্ত হয়ে গেলে ঐ যন্ত্রটি ছাড়া পরে আমাদের আর চলে না যার কারনে যন্ত্রপাতির পরিমান আর কমে না বরং দিন দিন বাড়ে। তাই বাসাবাড়ির ওয়ারিং এ ভবিষ্যৎ লোডের কথা মাথায় রেখে আমাদের ক্যাবল সিলেকশন করতে হবে।আমাদের এই ক্ষেত্রে বিল্ডিং এর মালিকই সবচেয়ে ভাল বলতে পারবেন যে ভবিষ্যতে তিনি কি করতে পারেন। হতে পারে তিনি তার ৪ তলা ভবনটিকে ১০ তলা করবেন অথবা কিছুই করবেন না। এই লোড বৃদ্ধির পরিমানের বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে আর যদি তা না হওয়া যায় তবে ২০% অতিরিক্ত লোড ধরে নিতে হবে এবং এই ২০% অতিরিক্ত লোড ধরে নিয়ে ক্যাবল সিলেকশন করা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।

Read the rest of this entry »

Share

Jun ১৯

ইলেকট্রিসিটি বা বিদ্যুৎ বিল সহজেই হিসাব নির্নয় করার পদ্ধতি:

আমাদের বাসা বাড়িতে আমরা কি পরিমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করছি আর কি পরিমান বিল দিচ্ছি তা কি কখন ভেবে দেখেছি? তাই আজ আমি এটি সহজে বের করার উপায় বর্ননা করব।

প্রথমে দেখব বাসা বাড়িতে আমরা যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি সেগুলো কী পরিমান বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। সাধারন একটি নমুনা নিচে দেওয়া হল-

১.লাইট = ১৫-২০০ watt

২.ফ্যান = ৫০-৮০ watt

৩.টেলিভিশন = ২৫-১৫০ watt

৪.ডেক্সটপ কম্পিউটার = ৮০-২৫০ watt

৫.ল্যাপটপ = ২০-৬০ watt

elec bill

৭.রেফিজারেটর = ৮০-২০০ watt

৮.এসি =১০০০-৩০০০ watt

৯.আয়রন =৫০০-১০০০ watt

Read the rest of this entry »

Share
প্রযুক্তিময়-জীবন পাতা ১ of ১১...১০...Last শেষ »
Visit Us On FacebookVisit Us On TwitterVisit Us On YoutubeVisit Us On Google Plus